Over 10 years we helping companies reach their financial and branding goals. Onum is a values-driven SEO agency dedicated.

CONTACTS
অনলাইন ইনকাম

কাজ শিখে ঘরে বসে
অনলাইনে ইনকাম করুন!

অনলাইন ইনকাম কি?
অনলাইন ইনকাম মূলত ইন্টারনেট ব্যবহার করে স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করাকে বোঝায়। সহজ ভাবে বললে গ্রাহককে অনলাইনে পণ্য বা সেবা প্রদানের মাধ্যমে তার থেকে টাকা গ্রহণ করাই হলো অনলাইন ইনকাম।
প্যাসিভ ইনকাম কি?

প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে বর্তমানে অনলাইন ইনকামের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম কারণ এই মেথডে টাকা ইনকাম করার জন্য সারাক্ষণ কাজের পিছনে সময় ব্যায় করতে হয়না।

এটি এমন একটি ইনকাম ব্যবস্থা যেখান থেকে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য একটা নির্দিস্ট সময় কাজ করে আপনি আপনার ফ্রি সময়েও টাকা আয় করতে পারবেন।

এজন্যই প্যাসিভ ইনকামকে বলা হয় "ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে টাকা ইনকামের মাধ্যম"। মূলত কোনো একটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট একটা সময় অতিবাহিত করে পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় ধরে সেখান থেকে অর্থ উপার্জন করা যায়।

তাই বর্তমান সময়ে প্যাসিভ ইনকাম দিন দিন অধিক জনপ্রিয় এবং আয়ের ভরসা যোগ্য একটি মাধ্যম হয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে।

এ্যাক্টিভ ইনকাম Vs প্যাসিভ ইনকাম

আমরা সাধারণত দুই ভাবে টাকা ইনকাম করে থাকি। একটি হচ্ছে এ্যাক্টিভ ইনকাম, আর অন্যটি হচ্ছে প্যাসিভ ইনকাম।

এ্যাক্টিভ ইনকাম হচ্ছে, একটা নির্দিস্ট সময়ের কাজের বিনিময়ে আমরা যা আয় করি সেটাই এ্যাক্টিভ ইনকাম।

যেমন, মাস শেষে আমি অফিস থেকে স্যালারি পাই বা একজন ডে-লেবার সারাদিনের নির্দিস্ট কাজের শেষে তার পেমেন্ট পান ইত্যাদি।

এ্যাক্টিভ ইনকামে কাজ করলে আপনি টাকা পারবেন, আর কাজ না করলে কোন টাকা পাবেন না।

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে এ্যাক্টিভ ইনকাম কারণ, যতক্ষণ আপনি ক্লায়েন্টের কাজ করবেন সেই কাজের উপরই আপনি পেমেন্ট পাবেন, কাজ শেষ হওয়ার পর কিন্তু আর কোন পেমেন্ট পাবেন না।

এজন্যই এ্যাক্টিভ ইনকাম কে ফ্লেক্সিবল ইনকাম ধরা হয় না, কারণ এখানে কাজের জন্য এবং পেমেন্টের জন্য পুরোপুরি অন্যের উপর নির্ভয় করতে হয়।

অফিস জব এ্যাক্টিভ ইনকাম কিন্তু যখন তখন কিন্তু আপনার জব চলে যাবার সম্ভবনা আছে, এজন্য এ্যাক্টিভ ইনকাম ফ্লেক্সিবল না (ব্যতিক্রম বাংলাদেশের সরকারী চাকুরী)।

অপরদিকে, প্যাসিভ ইনকাম ঠিক এর উল্টো কারণ, প্যাসিভ ইনকামের জন্য আপনি একটি নির্দিস্ট সময় কাজ করে পরবর্তিতে দীর্ঘসময় ধরে ইনকাম করতে পারবেন (শুধু মেইন্টেনেন্স করতে হবে)।

উদাহরণস্বরূপ – আপনি একটা ৬-তালা বাড়ী তৈরি করলেন। এখানে কিন্তু বাড়ীটা তৈরি করার সময় আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে। বাড়ী তৈরি হলে আপনার কাজ শেষ, এখন মাসে মাসে ভাড়া উঠাবেন আর মিনিমাম মেইন্টেইনেন্স করতে হবে।

এছাড়াও, আমি যেমন আমার ডে-জবের পাশাপাশি এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করি এবং আমার ডে-জবের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি আয় করে থাকি এর মাধ্যমে।

এর জন্য শুরুতে আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে কিন্তু এখন শুধু মাত্র কিছু মেইন্টেইনেন্স এর কাজ করতে হয়, যা আমি ফ্রিল্যান্সার দ্বারা করিয়ে থাকি।

আর এজন্যই বর্তমানে প্যাসিভ ইনকাম অনেক বেশি জনপ্রিয়। আপনি জব বা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।

এ্যাক্টিভ ইনকাম VS প্যাসিভ ইনকামঃ

  • এ্যাক্টিভ ইনকাম হচ্ছে সরাসরি কাজে নিযুক্ত থেকে টাকা উপার্জনের প্রক্রিয়া অন্য দিকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করে পরবর্তী দীর্ঘ সময় ধরে টাকা উপার্জনই হলো প্যাসিভ ইনকাম।
  • এ্যাক্টিভ ইনকামে সার্বক্ষণিক কাজে নিযুক্ত থাকতে হয় অপরদিকে প্যাসিভ ইনকামে একটি নির্দিষ্ট সময় পর খুব বেশি কাজ করার প্রয়োজন হয় না।
  • এ্যাক্টিভ ইনকাম এর জন্য নির্দিষ্ট সময়ে কেবল মাত্র একটি কাজেই নিযুক্ত থাকতে হয় কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম বিভিন্ন উপায়ে একের অধিক প্রোজেক্ট একই সময়ে করা যায়।
  • এ্যাক্টিভ ইনকম এ কাজ না করলে ইনকাম আসা বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম একটি চলমান প্রক্রিয়া আপনি কাজ না করলেও আপনার ইনকাম আসবেই।
  • এ্যাক্টিভ ইনকাম দ্রুত গতি সম্পন্ন হলেও মুনাফা বৃদ্ধির হার তুলনা মূলক কম অপরদিকে প্যাসিভ ইনকাম এর গতি ধীর হলেও মুনাফা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
  • এ্যাক্টিভ ইনকাম কম বা বেশি হতে পারে কাজের ধরণের উপর নির্ভর করে কিন্তু প্যাসিভ ইনকাম বেশির ভাগ সময়ে ইনকাম গ্রাফ উপরের দিকে যায়।
কেন প্যাসিভ ইনকাম সেরা?

চাকরি কিংবা পড়াশোনার পাশাপাশি আয়ের ভিন্ন একটি উৎস আপনার জীবনকে অনেক বেশি সহজ করে তুলতে পারে। কিংবা আপনি যদি একজন গৃহিনীও হন, প্যাসিভ ইনকাম এর মাধ্যমে পরিবারকে সহায়তা করতে পারবেন।

চলুন দেখে নেয়া যাক কেন এই প্যাসিভ ইনকাম সেরা ?

  • একসাথে একাধিক কাজ এ সময় দেয়া যায়
  • চাকরির পাশাপাশি ভিন্ন একটি আয়ের উৎস তৈরী করে
  • একজন গৃহিনী ঘরে বসেই প্যাসিভ ইনকাম করতে পারে
  • একজন শিক্ষার্থী তার পড়াশোনার পাশাপাশি এটি করতে পারে
  • দীর্ঘদিন সময় দেয়ার প্রয়োজন পরে না
  • মুনাফা বৃদ্ধির পরিমান বেশি
  • একটি বিশ্বস্থ উপার্জন মাধ্যম
  • একাধিক আয়ের উৎস তৈরী করা

আসুন, আমার প্যাসিভ ইনকামের অন্যতম মাধ্যম এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর একটা সাইটের স্ট্যাটিস্টিক আপনাদের সাথে শেয়ার করি, তাহলে আপনারা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবেন যে, কেন প্যাসিভ ইনকাম সেরা…

আমার নিশ সাইটটি ছিল, ইলেকট্রিক শেভার নিয়ে। আমি আগেই বলেছি যে, আমি আমার ডে-জবের পাশাপাশি এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে থাকি। এই সাইটটি নিয়ে একটা কেস স্ট্যাডি লিখবো (স্ক্রিন শট সহ) যা এই ব্লগেই পাবেন।

এই একটি সাইট থেকে আমি এক বছরে আয় করি ১৪০০০+ ডলার (বর্তমান বাংলাদেশি টাকায় ১৩-১৪ লাখ) অর্থাৎ প্রতি মাসের এ্যাভারেইজ আয় ছিল ১১৫০+ ডলার বা ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বেশি।

এবং এক বছর পরে এই নিশ সাইটটি আমি এফই-ইন্টারন্যাশনাল এর মাধ্যমে সেল করি ৩৬৫০০ ডলার যার বর্তমান বাংলাদেশি টাকায় মূল্য ৩৫-৩৬ লাখ টাকার বেশি।

এখন যদি আমি এই সাইটের মাসিক ইনকাম এবং সেলিং ইনকাম এক করি তাহলে দ্বারায় ৫০,৫০০ ডলার ( বর্তমান বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৮-৫০ লাখ)।

এবার যদি এই একটি সাইটের টোটাল আয়কে ১২ মাস দ্বারা ভাগ করি তাহলে এ্যাভারেইজ মাসিক ইনকাম দ্বারায় ৪২০০+ ডলার যার বর্তমান মূল্য ৪-লাখ টাকা।

অর্থাৎ আমি আমার অফিস জব থেকে মাসে প্রায় ৪গুণ আয় করি শুধু মাত্র আমার একটি মাত্র নিশ ওয়েবসাইট থেকে। কিন্তু এর জন্য আমাকে পরিশ্রম করতে হয় আমার অফিস আওয়ারের মাত্র ৩ ভাগের ১ ভাগ।

আশাকরি আপনি বুঝতে পারছেন কেন প্যাসিভ ইনকাম সেরা এবং কেন আপনারও আমার মত প্যাসিভ ইনকাম করা উচিত।

কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম শুরু করবেন?

অনলাইন ইনকাম এর যতগুলো মাধ্যমে আছে এর মধ্যে প্যাসিভ ইনকাম সবচেয়ে জনপ্রিয়ও ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি। এমনকি অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যারা ফ্রিল্যান্সিং এর পাশাপাশি প্যাসিভ ইনকাম মডেলও ফলো করে থাকেন।

প্যাসিভ ইনকাম অনেকটা রয়্যালটি ইনকামের মত। ধরুন আপনি একজন রাইটার, লিখতে ভালোবাসেন। তো আপনি একটা বই লিখলেন, আর এই লিখতে কত দিন আপনার লাগবে সেটা অবশ্যই আন্দাজ করতে পারছেন।

আবার যখন বই লিখছেন তখন কিন্তু আপনার কোন ইনকাম হচ্ছে না, রাইট? বই লেখা শেষে যখন আপনি আপনার বইটা কোন পাবলিশার্স থেকে পাবলিশ করবেন, এরপর সেই বই বিক্রি যখন শুরু হবে ঠিক তখনই আপনার ইনকাম আসা শুরু হবে।

এখন কিন্তু আপনাকে আর কোন পরিশ্রম করতে হচ্ছে না, পরিশ্রম যা করার সেটা আপনি ওই বইটি লেখার সময় করেছেন। এখন এই বই দীর্ঘ সময় ধরে যত কপি বিক্রি হবে তত টাকা আপনার পকেটে আসতেই থাকবে।

এটাই হচ্ছে প্যাসিভ ইনকাম। এবার বুঝেছেন, কেন আমি অনলাইন ইনকাম এর মধ্যে প্যাসিভ ইনকাম এত পছন্দ করি। এবং আমি চাই আপনিও আমার মত প্যাসিভ ইনকাম করেন।

তবে, প্যাসিভ ইনকামের জন্য প্রথমে আপনাকে সময় দিয়ে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস তৈরি করতে হবে। যারা ইন্সট্যান্ট ইনকাম পছন্দ করেন তাদের জন্য প্যাসিভ ইনকাম না।

তবে আপনার যদি ধৈর্য ধরে কাজ করার মানুসিকতা থাকে তাহলে প্যাসিভ ইনকাম আপনার জীবনকে পাল্টে দিবে। কারণ, অনেক আয় করার সুযোগ আছে এই সেক্টরে।

অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম এর মাধ্যমে সমূহঃ

  • এ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  • ই-বুক রাইটিং
  • ভিডিও কন্টেন্ট ক্রিয়েশন
  • অনলাইন কোর্স
  • ফটোগ্রাফ সেল
  • স্পন্সরড পোস্ট
  • ব্লগিং / ভিডিও ব্লগিং
  • ডিজাইন সেলিং
  • এ্যাডভার্টাইজমেন্ট
  • এ্যাপ পাবলিশিং ইত্যাদি

কিভাবে প্যাসিভ ইনকাম শুরু করবেন?

প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য, প্রথমে আপনাকে শিখতে হবে। আর শিখতে চাইলে আপনি অনেক ভাবেই শিখতে পারবেন। আপনি আমার নিচের ব্লগ পোস্ট গুলো স্ট্যাডি করে অনেক ভালো কিছু শিখতে পারবেন আশাকরি।

তবে, অনলাইনে যেমন ইউটিউব বা গুগলে সার্চ করেও অনেক ভালো ধারণা পেতে পারেন।

প্যাসিভ ইনকাম করার জন্য, প্রথমে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে যে আপনি কোন মাধ্যমে আয় করতে চান। এরপর সেই সেক্টরের দক্ষ একজন মেন্টর খুজে বের করতে হবে।

কারণ, আপনি যদি প্রোফেশনাল লেভেল এর আয় করতে চান তাহলে আপনাকে স্টেপ-বাই-স্টেপ শিখতে হবে, এজন্য অবশ্যই কোন প্রো লেভেলের মেন্টরের ডিরেক্ট তত্ত্বাবধায়নে বা তার কোর্স করতে হবে।

Experienced Digital Marketer
কিভাবে ...

অনলাইনে ইনকাম করবেন?

নিচের ব্লগ পোস্টে অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি যদি পোস্ট সমূহ মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে, অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে বিশদ জানতে পারবেন এবং এই জ্ঞান ব্যবহার করে নিজের একটি সফল অনলাইন বিজনেস দাড় করাতে পারবেন, ইনশাআল্লাহ্‌।

বিস্তারিত ...

প্যাসিভ ইনকাম
ক্যারিয়ার গাইডলাইন!

প্যাসিভ ইনকাম কি খুবই সহজ?

শুরুর দিকে প্যাসিভ ইনকাম কিছুটা কঠিন, তবে ধৈর্য ধরে কাজ করলে অল্প কিছুদিন পর যখন সবকিছু আয়ত্তে আসবে তখন সহজ হয়ে যাবে। আর যখন ইনকাম শুরু হবে তখন আপনাকে মেইন্টেইনেস মুডে কাজ করতে হবে যেন আপনার ইনকাম আরও বাড়ে।

প্যাসিভ ইনকাম – নাকি অন্য কিছু

প্যাসিভ ইনকাম আপনি যে মাধ্যমেই করেন না কেন – এর জন্য প্রথমে আপনাকে একটা সিস্টেম তৈরি করতে হবে। আর এই সিস্টেমটা তৈরি করার জন্য প্রথমে আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।

যখন কাজের সময় আসে তখন আমরা এত পরিশ্রম করতে চাই না কিন্তু আমরা সবাই ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে প্যাসিভ ইনকাম করতে চাই। এই যে আমি এই ব্লগটি তৈরি করছি বেশ সময় নিয়ে অন্য সব কাজের ফাকে প্রতিদিন একটু একটু করে কাজ করে।

কারণ আমি জানি যে একদিন এই ব্লগ থেকেও আমি প্যাসিভ ইনকাম জেনারেইট করবো। তখন কিন্তু আমাকে আর এত বেশি পরিশ্রম করতে হবে না, এই লেখাটি লেখার সময় যতটা করছি।

এই ব্লগটির মাধ্যমে আমি একটা সিস্টেম তৈরি করছি যা পরবর্তিতে আমার অনেক বড় একটা অনলাইন ইনকাম সোর্সে পরিণত হবে।

আর এমন একটা সিস্টেম তৈরি করতে যে সময়, শ্রম এবং প্ল্যানিং দরকার হয়, সেটা অনেকেই করতে চাই না যদিও আমরা অনেক টাকা আয় করতে চাই।

মনে রাখবেন, কোটিপতি হতে গেলে আপনাকে প্রথমে কোটিপতি ব্যাক্তিদের মত পরিশ্রম করার মানুসিকতা রাখতে হবে।

বর্তমান সময়ের টপ বিজনেসম্যান যারা আছেন লাইক – বিল গেটস, ইলন মাস্ক, জেফ বেজস, জ্যাক মা, রতন টাটা সহ সবাইকেই আজকের এই অবস্থানে আসতে কতটা পরিশ্রম করতে হয়েছে।

সেই পরিশ্রম দিয়ে তারা এমন একটা বিজনেস বা সিস্টেম তারা তৈরি করেছে যার আয় দিয়ে তাদের বাকি জীবন কিন্তু প্রচন্ড আরাম-আয়েশে কাটিয়ে দিতে পারে।

এমনকি তারা না থাকলেও সেই সিস্টেম এর কোন ক্ষতি হবে না। এমন কিছুর প্ল্যানিং আপনাকে করতে হবে। মনে রাখবেন, কোটিপতি হতে গেলে কোটিপতির মত ভাবতে হবে এবং কাজও করতে হবে।

আরাম বিছানায় শুয়ে শুয়ে কোটিপতি হওয়া যায় না, তবে আপনি যদি প্যাসিভ ইনকামের একটা সিস্টেম তৈরি করতে পারেন তাহলে শুয়ে শুয়েও আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

যদিও ইলন মাস্কের মত মানুষ আর কাজ না করে বাকী জীবন সারা দুনিয়ে ঘুরে, আরামে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু দেখেন, এত অর্থ-সম্পদ থাকার পরেও তারা একদিন কাজ ছাড়া থাকতে পারেন না – আজও তারা প্রতিদিন নিয়ম মাফিক অফিস করেন।

এখানেই একজন রিস্কা-চালক এবং একজন বিলিওনিয়ারের মধ্যে পার্থক্য। এখন আপনি যদি একজন রিস্কা-চালকের মত ভাবেন যে আজকে ১০০০ টাকা ইনকাম হইছে আর দরকার নেই এখন বাড়ী গিয়ে আরাম করি, তাহলে আগামীকালও আপনাকে টেনশন করতে হবে যে আজ কি খাবো।

আর যদি আপনি একজন ইলন মাস্কের মত বিলিওনিয়ারের মত চিন্তা করতে পারেন এবং তার মত করে প্রতিদিন কাজ করে যেতে পারেন তাহলে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ অবশ্যই আপনার জন্য অপেক্ষা করবে।

যেহেতু, প্যাসিভ ইনকাম একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এই সিস্টেমে আপনি একবার তৈরি করতে পারলে দীর্ঘ-সময় এই সিস্টেম থেকে আপনি অনেক ভালো ইনকাম করতে পারবেন।

তাই যদি আপনি এমন একটি সিস্টেম তৈরি করতে চান তাহলে কখনই হাল ছাড়া যাবে না। কারণ, এইটুকু ধৈর্য ও শ্রম দিয়ে যদি আপনি কাজ করতে পারেন তাহলে পরবর্তীতে আপনার জন্য এটা একটি অনেক বড়ো অ্যাসেট এ পরিণত হবে।

এই সিস্টেম বিল্ড-আপ করতে যে পরিশ্রম, মেধা এবং সময়ের প্রয়োজন হয়, সে সময়টুকু অনেকেই দিতে চায় না। তাই অনেক সময় মাঝপথে গিয়ে অনেকেই থেমে যায়।

কিন্তু সঠিক নিয়ম অনুসরণ করলে আপনিও এই সেক্টরে নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

আসুন, জেনে নেই অন্য কিছুর থেকে প্যাসিভ ইনকাম কেন সেরা …

  • প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে আয়ের চলমান উৎস।
  • প্যাসিভ ইনকামের পাশাপাশি অন্য কাজ করা যায়।
  • সময়ের সাথে সাথে আপনার আয়ও বৃদ্ধি পেতে থাকে।
  • প্যাসিভ ইনকাম একটি নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস।

উপরের বিষয়বস্তু সমূহ পর্যালোচনা করলে বোঝা যাচ্ছে যে, অন্য ধরণের আয়ের তুলনায় প্যাসিভ ইনকাম অনেক বেশি কার্যকরি।

আর পরিশ্রম, তা সে আপনি হালাল বা হারাম যে কাজই করেন না আপনাকে করতে হবে। পরিশ্রম ছাড়া কখনই সফলতা আসে না। আর সৎ পথে হালাল ইনকাম অনেক কঠিন কাজ। তবে সবুরের ফল মিঠা হয় সবসময়ই – প্যাসিভ ইনকাম তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

প্যাসিভ ইনকাম সম্পর্কে, ডেন লক (একজন নামকরা ডিজিটাল মার্কেটার) বলেন যে, অন্য মানুষের সময়কে কাজে লাগিয়ে রিসোর্স ও টেকনোলজির সর্বোত্তম ব্যবহার করে অল্প ব্যায়ে অধিক আয় করা।

তাই, আমার দীর্ঘ ১২ বছরের ডিজিটাল মার্কেটিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং অভিজ্ঞতালদ্ধ জ্ঞান থেকে আমি এটা বলতে পারি যে, প্যাসিভ ইনকাম আমাদের জীবনে অনেক সচ্ছলতা নিয়ে আসে। যদি আমরা প্ল্যান মাফিক নিয়মিত কাজ করি।

প্যাসিভ ইনকাম গাইডলাইন

প্যাসিভ ইনকাম শুরু করার পুর্বে আপনার জানা উচিত যে কেন আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতে চান, সে বিষয়ে আগে নিজের অবস্থান ঠিক করুন আপনার বর্তমান বাস্তবতার সাথে মিল রেখে।

আপনি যদি শুধু অনলাইন ইনকাম করা যাবে জন্য প্যাসিভ ইনকাম করতে চান বা অন্য কেউ সফল হয়েছে তার দেখে আপনি এই সেক্টরে কাজ করতে চান।

তাহলে আমি বলবো, একটু দাঁড়ান, সফল মানুষদের আপনি অবশ্যই ফলো করবেন সেটা আমিও করি। তবে সেটা আমার অবস্থান এবং বাস্তবতার সাথে মিল রেখে।

শুধু অনলাইন ইনকামের পিছনে না ছুটে, আগে দেখে নিন যে মাধ্যমে প্যাসিভ ইনকাম করতে চাচ্ছেন – সেই মেথডটা আপনার ভালো লাগে কিনা, এই মেথডে আপনার কতটুকু অভিজ্ঞতা এবং স্কিল আছে।

যদি দেখেন যে, আপনার ভালোলাগা, অভিজ্ঞতা এবং স্কিল এর সাথে মিল আছে তাহলে আপনি প্যাসিভ ইনকাম এর জন্য পার্ফেক্ট।

এবার আসুন দেখি, ঠিক কিভাবে আপনি আপনার প্রথম প্যাসিভ ইনকাম প্রজেক্ট শুরু করবেন।

১। মার্কেট রিসার্স করুন

মার্কেট যাচাই করার জন্য প্রথমে বুঝতে হবে যে আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন তার মার্কেট ডিমান্ড কতটা আছেন। সেই সাথে এই বিষয়টা মাথায় রাখুন যে, সেই ডিমান্ডটি ফুলফিল করার মত যথেস্ট স্কিল আপনার আছে তো?

সবসময় বেস্ট-সেলিং প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করলে আপনি মার্কেটে ভালো আয় করতে পারবেন তাই পপুলার ক্যাটেগরির পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে। ভুলেও এমন কোন প্রোডাক্ট সিলেক্ট করবেন না, যার মার্কেটে কোন ডিমান্ড নেই – তাহলে কিন্তু সব মাটি হয়ে যাবে।

মার্কেট রিসার্স করার সময় অতিরিক্ত টাকা ব্যায় করবেন না। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আপনি খুবই সুন্দর ভাবে অল্প সময়ে মার্কেট ডিমান্ট খুজে বের করতে পারবেন। আপনি যে ধরণের পণ্য নিয়ে কাজ করতে চান, সেই টাইপের পণ্যের সাথে মিল আছে এমন পণ্য নিয়ে রিসার্স করলেই ভালো ধারণা পেয়ে যাবেন।

২। বাস্তবতার সাথে মিল রেখে গোল সেট করুন

মার্কেট রিসার্স করা হয়ে গেলে আপনাকে আপনার প্রাইমারী গোল সেট করে নিন। বলুন দেখি কি হতে পারে আপনার প্রাইমারী গোল?

কি ভাবছেন – অনলাইনে টাকা ইনকাম, রাইট?

আরে, টাকা ইনকামের জন্যই তো কাজ করবেন রাইট, তবে এত দ্রুত টাকা টাকা করলে দিনশেষে কিছুই হবে না।

তাই, আপনার প্রাইমারী গোল হতে হবে, কিভাবে আপনি আপনার প্রথম প্রোজেক্টটি ১০০% কমপ্লিট করবেন।

ধরুন, আপনি বাজারে একটা মোবাইল ফোনের দোকান দিতে চান? – এখন এর জন্য তো আগে আপনাকে দোকানটি রেডি করতে হবে, মোবাইল ফোন উঠাতে হবে তারপর না আপনার আয় হবে।

তেমনি এখানে আগে আপনাকে আপনার প্রোজেক্টটি তৈরি করতে হবে (সেটি হতে, এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিশ সাইট তৈরি, বা ভিডিও মার্কেটিং এর জন্য একটা ইউটিউব চ্যানেল)।

প্রোজেক্ট রেডি করার পর বেশ কয়েকমাস সময় লাগবে আপনার অনলাইন ইনকাম আসতে। তাই এখানে আপনার প্রথম গোল হচ্ছে – প্রোজেক্ট রেডি করা।

প্রোজেক্ট রেডি করার পরে আপনি কি কি কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন তার একটা লিস্ট তৈরি করতে হবে, কারণ আমরা যদি আমাদের প্রতিদিনের কাজের বা গোলে পৌঁছানোর জন্য একটা টুডু (কাজের) লিস্ট করে নিই শুরুতে তাহলে গোলে পৌঁছানো আমাদের জন্য সহজ হবে।

 ৩। কাজের সময় নির্ধারন করুন

আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে চান, তাহলে প্রথমের আপনাকে লক্ষ্য অর্জনের জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে আর এ জন্য যথেস্ট সময় হাতে রাখুন।

মনে রাখবেন, শুধু টাকা ইনকামের কথা ভেবে কাজ করলে বা কাজ করতে হবে জন্য কাজ করলে হবে না। আপনাকে প্যাসিভ ইনকামের জন্য কাজ করতে হবে যথেষ্ট আগ্রহ সহকারে।

তাই, আপনার কাজের জন্য একটা নির্দিস্ট সময় নির্ধারন করে নিন। বর্তমান দুনিয়ার অনেক মানুষ আছে যারা অন্য কাজ বা জবের পাশাপাশি এফিলিয়েট মার্কেটিং বা প্যাসিভ ইনকামের অন্য মেথড গুলো নিয়ে কাজ করে।

আর তারা সবাই এর জন্য প্রতিদিন সময় দিয়ে কাজ করে, এমনকি আমি আপনাদের জন্য এই পোস্টি লেখার জন্য সকাল ৬টায় ঘুম থেকে উঠে লিখতে শুরু করেছি, যেন আমি এই লেখাটি শেষ করে তারপর সকালের নাস্তা সেরে সময়মত অফিসে যেতে পারি।

আর এজন্য আজ আমি মাত্র ৬-ঘন্টা ঘুমিয়েছি, এবং আমি মনে করি এটা যথেষ্ট একজন মানুষের জন্য। এর ফলে আমি আমার নিজের প্রোজেক্টের জন্য কাজ ও অফিস দুটোই ম্যানেজ করতে পারছি।

তাই, আপনি যদি আমার বা অন্যদের মত প্যসিভ ইনকামকে সিরিয়াসলি নিতে চান তাহলে আপনাকেও সময় বের করে কাজ করতে হবে, এজন্য এই কাজের জন্য সময় আলাদা করে বের করে নিন।

৪। আগে শুরু করুন

আমরা অনেক সময় চিন্তা করতে গিয়ে কাজের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ি। শুরু করতে গিয়েও অনেক সময় তা পরে করার উদ্দেশ্যে ফেলে রাখি। এতে করে কাজ টি আর পরবর্তী তে শুরু করা হয়ে উঠে না। ফলে ভয় এবং আত্মবিশ্বাস এর অভাবে পিছিয়ে পড়তে হয়। তাই পরিপূর্ণ পরিকল্পনার পরবর্তী ধাপ হচ্ছে কার্যক্রম শুরু করে দেয়া। তাই সময় বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক কাজ টি শুরু করে দেয়া বাঞ্চনীয়।

যদি আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতেই চান, তাহলে আগে আগেই শুরু করুন (পারলে আজ এখন থেকেই শুরু করুন)। কারণ শুরু করার জন্য কোন পার্ফেক্ট সময় বলতে কিছু নেই, তাই শুরু যদি করতেই হয় – তাহলে কেন এই মুহুর্ত থেকে না।

আমার দেখা, ৭০-৮০% মানুষ শুধু টিউটেরিয়াল দেখে, বা অনলাইনে কোর্স করে, রিসার্স করে বা মাত্রাতিরিক্ত প্ল্যানিং এর পিছনেই সময় ব্যায় করে এবং দেখা যায় একটা পর্যায়ে গিয়ে তারা আর শুরুই করতে পারেন না।

আপনি যেন নিজেকে তাদের দলে ফেলিয়েন না, তাহলে দিনশেষে কিছুই মিলবে না। আপনার মার্কেট রিসার্স যদি সঠিক হয়, আপনার পণ্য যদি ভালো হয় তাহলে বেসিক প্ল্যানিং টুকু সেরে আদাজল খেয়ে কাজে নেমে পড়ুন।

আর কাজে নেমে পড়লে, পথ চলতে চলতে পথ চেনার মত করে হলেও আপনি আপনার লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেন আশাকরি।

আর যদি কাজই না শুরু করেন তাহলে লক্ষ্য তো দুরের কথা আপনার শুরুই করা হবে না কোনোদিন – কথাটা বলে রাখলাম, মিলিয়ে নিয়েন।

আজ এ ব্যস্ততা, কাল সে ব্যস্ততা – আপনার ব্যস্ততা কোনদিনই শেষ হবে না।

৫। কাজ সংক্ষিপ্ত করুন

তাড়াতাড়ি যেমন আপনার প্রোজেক্টি শুরু করা উচিত, তেমনি আপনার কাজও সংক্ষিপ্ত করা উচিত। কারণ, আপনি একটা কাজ ৭-দিন ধরেও করতে পারেন আবার ১-দিনেই শেষ করতে পারেন।

তাই, হেলায় সময় নস্ট না করে, যথেষ্ট গুরুত্ত দিয়ে কাজটি যত দ্রুত শেষ করা যায়, তার চেস্টা করুন। এক্ষেত্রে আপনার প্রাইমারী প্ল্যানটি আপনাকে অনেক বেশি হেল্প করবে, তাই প্ল্যানিং করতে ভুলবেন না।

মনে রাখবেন, কোন কাজ না করার চেয়ে কিছু একটা কাজ করাও ভালো। এরফলে ১০০% না হোক অন্তত চলার মত কিছু একটা তৈরি করে ফেলতে পারবেন।

এরফলে দেখা যাবে যে, আপনার ভিতরে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। যার ফলে আপনি আরও অনেক বড় কিছু তৈরি করার সাহস পাবেন।

তাই, শেষ কথা হচ্ছে যে – আপনি আজ এই মুহুর্ত থেকে শুরু করুন, এবং যতদ্রুত সম্ভব আপনার শুরু করা কাজটি শেষ করে আবার নতুন কাজ শুরু করুন।

অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম এর সেরা উপায় সমূহ

অনলাইনে ইনকাম অনেকভাবেই করা যায়। তবে তার মধ্যে প্যাসিভ ইনকাম সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে ইনকাম এর কিছু গুরুর্ত্বপূর্ন বিষয় নিচে উল্লেখ করা হলো :

১। ব্লগিং করা

ব্লগিং হচ্ছে কোনো একটি নির্ধারিত বিষয়ের উপর বিভিন্ন ধরণের তথ্যাবলী ভিজিটর কে প্রদান করা। এটি মূলত প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর লেখালেখি। আপনি যদি খুব ভালো লিখতে পারেন তাহলে একটি ব্লগ সাইট খুলে সেখানে বিভিন্ন বিষয়ের উপর লিখতে পারেন।

আপনার ভিজিটর যখন আপনার সাইট এ এসে আপনার লেখা পড়া শুরু করবে তখন গুগল আপনাকে অনলাইনে ইনকাম এর বিভিন্ন সুবিধা সমূহ প্রদান করবে। তার মধ্যে গুগল এডসেন্স অন্যতম।

ভিজিটররা যখন আপনার সাইট এ লেখা পড়ার জন্য এসে বিভিন্ন রকম এড গুলো দেখতে পারবে, তখন গুগল থেকে এই এড এর ক্লিক থেকে আসা নির্ধারিত অর্থ আপনাকে প্রদান করবে।

আপনি একবার তথ্যগুলো লিখে পাবলিশ করলে, পরবর্তীতে আসা সকল ভিজিটরদের জন্য আপনি অনলাইনে ইনকাম পেতেই থাকবেন।

২। এফিলিয়েট মার্কেটিং

এফিলিয়েট হলো প্যাসিভ ইনকাম এর সবথেকে গুরুত্বপূর্ন এবং সহজ মাধ্যম। এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অন্য কারো পণ্য বিক্রি করে দিয়ে কমিশন আয় করা।

আপনি যদি কোনো কোম্পানি বা ই-কমার্স সাইট এর পণ্য আপনার ওয়েবসাইট এ বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে তা বিক্রি করতে সহায়তা করেন তবে সেই কোম্পানি আপনাকে প্রফিটের একটি অংশ প্রদান করবে। আর এটি হলো মূলত এফিলিয়েট মার্কেটিং।

আপনি যদি একটি ওয়েবসাইট এ একটি পোস্ট একবার পাবলিশ করতে পারেন, তবে সেখান থেকে যত ভিজিটর আপনার সেই পোস্ট পড়ে সেই প্রোডাক্টি ক্রয় করবে তত সময় ধরে আপনার অনলাইনে ইনকাম আসতেই থাকবে।

এমনকি আপনি যদি পরবর্তীতে আর আপনার নিশ সাইট এ সময় দিতে না ও পারেন, তবুও আপনার অনলাইনে ইনকাম আসতেই থাকবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং শুধু ওয়েবসাইটে করতে হয় এমন নয়, আপনি চাইলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলের এর মাধ্যমেও করতে পারেন।

৩। ইউটিউব মার্কেটিং

গুগল এর পরে সব থেকে বড়ো সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইউটিউব । এখানে মূলত ভিডিও কনটেন্ট পাবলিশ করা হয়। কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর সঠিক ভাবে গুছিয়ে তথ্য প্রদান করে গ্রাহকের মনোযোগ আকর্ষণ করাই হলো ইউটিউব মার্কেটিং (যদিও আরও অনেক বিষয় এখানে জড়িত আছে)।

আপনি ইউটিউবে এ তথ্যবহুল বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করে গুগোল এডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারেন। অথবা আপনি আপনার ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন প্রোডাক্ট আন-বক্সিং ও রিভিউ এর মাধ্যমে সেই প্রোডাক্ট গুলো বিক্রি করেও টাকা উপার্জন করতে পারেন যা এফিলিয়েট মার্কেটিং নামে পরিচিত।

শুধু তাই না, একজন ইউটিউব ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবেও বিভিন্ন কোম্পানির স্পন্সর থেকেও অনেক আয় করার সুযোগ আছে ইউটিউবিং থেকে।

এছাড়া নিজের ব্রান্ড তৈরি করে বা নিজের যেকোন ডিজিটাল পণ্য বা ফিজিক্যাল পণ্য এর মার্কেটিং করে সেখান থেকে আপনি অনলাইনে ইনকাম জেনারেইট করতে পারবেন।

৪। গ্রাফিক্স ডিজাইনিং

আপনি জানেন কি? একজন ভালো মানের গ্রাফিক্স ডিজাইনাও অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারে। বলতে পারবেন - কিভাবে?

গ্রাফিক্স ডিজাইনিং করে আপনিও প্রতি মাসে অনেক টাকা অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এজন্য আপনাকে একজন দক্ষ গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে হবে।

আপনি বিভিন্ন ডিজাইন তৈরি করে তা, অনলাইনে ইমেজ সেলিং এর অনেক ওয়েবসাইট আছে, সেখানে আপলোড করে দিবে। এবার এই ডিজাইন যতবার সেল হবে, আপনি ততবার সেই সেল থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।

শুধু একবার পরিশ্রম করে ভালো একটা ডিজাইন তৈরি করতে পারলে আপনাকে আর বেশি কিছু করতে হবে না, এখন যদি আপনি কয়েক হাজার এমন ডিজাইন তৈরি করে সেখানে আপলোড করে রাখেন তাহলে কত আয় হবে ভাবতে পারছেন।

জী, এটাই হচ্ছে প্যাসিভ ইনকামের মজা। এই মজা একবার পেলে আপনি আর কনদিনি ছাড়াতে চাবেন না।

আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন না জানেন তবে একটি ভালো মানের প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর একটা কোর্স করে নিতে পারেন।

যেহেতু এ কাজের জন্য যথেষ্ট স্কিল থাকতে হবে, তাই এ কাজের মাধ্যমে আপনি অনেক টাকা উপার্জন ও করতে পারবেন। তাই অনলাইন এ টাকা উপার্জনের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি খুবই সহায়ক পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

৫। ই-বুক রাইটিং

আমরা দীর্ঘদিন যাবত বুক (বই) রাইটিং এর সাথে পরিচিত। পূর্বে লেখকরা বিভিন্ন ধরণের বই লিখতেন। এরপর সেই বই যখন মার্কেটে পাবলিশ হত তখন সেই বই বিক্রি থেকে তারা দীর্ঘ সময় ধরে কমিশন পেত।

এখানে কিন্তু সেই বই লেখার সময়টাই তাদের ইনভেস্টমেন্ট ছিল। বই পাবলিশ হওয়ার পর থেকে যত কপি বই সেই থেকে আজ অবধি সেল হবে তার জন্য তিনি কমিশন পাবেন, এমনকি তিনি মৃত্যুর পরে তার পরিবার সেই কমিশন পাবে।

আর এটাই প্যাসিভ ইনকাম, ওয়ান-টাইম এফোর্ট বাট লং টাইম রেভিনিউ।

তো, যুগ পাল্টিয়েছে - এখন সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে প্রিন্টেড বইয়ের জায়গা দখল করেছে ই-বুক বা ইলেক্ট্রনিক বুক।

এখন আপনার যদি কোন সেক্টরে জ্ঞান থাকে তাহলে আপনি ই-বুক আকারে তা পাবলিশ করে, অনলাইনে নিজের ওয়েবসাইট থেকে বা ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেলিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে সেল করে প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি যদি এ্যামাজন.কম এ গিয়ে বেস্ট-সেলিং ই-বুক গুলো দেখেন তাহলে বুঝতে পারেন কি বিশাল পরিমান আয় করা যায় এই অনলাইন প্যাসিভ ইনকামের মাধ্যমে।

৬। অনলাইন কোর্স

আপনি যদি কোন স্পেসিফিক সেক্টরে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সেই জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আপনি একটা অনলাইন কোর্স তৈরি করেও আয় করতে পারবেন।

ধরুন, আপনি একজন স্কুল বা কলেজের ম্যাথ টীচার, আপনার অবসর সময়ে টিউশনি করান (বা আপনার অন্য যেকোনো সেক্টরে ভালো জ্ঞান আছে)।

তো, সেই অবসর সময়ে আপনি খুব বেশি হলে ২০-৩০ জন স্টুডেন্টকে পড়াতে পারবেন, রাইট?

এখনি আপনি যদি এই ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার করে আপনার সেই ক্লাস বা লেসন গুলোকে ভিডিও আকারে একটি কোর্স হিসেবে তৈরি করে, আপনার ওয়েবসাইট বা ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পাবলিশ করেন।

তাহলে কিন্তু আপনি সারাদেশ থেকে অনেক বেশি স্টুডেন্ট এর কাছে আপনার কোর্স সেল করতে পারবেন, আগে যেখানে একটি নির্দিস্ট এরিয়ার মাত্র অল্প কিছু সংখ্যক স্টুডেন্ট কে পড়াতেন।

বেস্ট হচ্ছে - আপনি যদি আপনার নিজের ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে নিজের ব্রান্ড তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনি কল্পনাও করতে পারছেন না যে কত পরিমান আয় হবে আপনার।

যেখানে আগে আপনাকে প্রতিদিন বিভিন্ন ব্যাচে স্টুডেন্ট পড়াতে হত, এখন সেখানে আপনি একবার কোর্স তৈরি করে দীর্ঘদিন সেই কোর্স থেকে আয় করতে পারছেন।

৭। এসইও শিখে অনলাইনে আয়

সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজশন বা সংক্ষেপে এসইও হলো গুগল, বিং, ইউটিউব, ইয়াহু এর বিভিন্ন নিয়ম যথাযথভাবে মেনে চলা।

আপনি যদি কিছু লিখে গুগল এ সার্চ করেন, তবে গুগল হাজার হাজার তথ্যের ভিতর থেকে আপনার তথ্যটি ভিজিটর এর সামনে প্রদান করার প্রক্রিয়াই হলো অপ্টিমাইজশন। এটিকে সম্পূর্ণভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজও বলে।

আপনার পণ্য বিক্রয় থেকে শুরু করে সাইট ভিজিট সব জায়গায় সার্চ ইঞ্জিন এর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

কেননা গুগল এর মোট বিক্রয়ের ৯৫ ভাগ বিক্রয়ই আসে প্রথম পৃষ্ঠা থেকে। তাই সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইট বা ইউটিউব চ্যানেলকে প্রথমে নিয়ে আস্তে এসইও মেজর ভূমিকা পালন করে।

তাই আপনি যদি একজন দক্ষ সার্চ ইঞ্জিন এক্সপার্ট হতে পারেন তবে আপনি আপনার নিজের সাইট এবং অন্যের সাইট এ সেবা প্রদান করার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

অনলাইনে কি প্যাসিভ ইনকাম সম্ভব?

জী, সম্ভব এবং সেটি অফলাইনের থেকেও অনেক কম ইনভেস্টমেন্টে। এজন্য আপনাকে আপনার সময়কে সঠিকভাবে কাজে লাগতে হবে। কারণ, অন্য কাজের পাশাপাশি অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম এখন অনেক জনপ্রিয় মাধ্যম অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য।

ব্লগিং করে প্যাসিভ ইনকাম

সবথেকে কম সময়ে, সহজ উপায়ে ব্লগিং করে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। প্রতিদিন মাত্র ৩-৪ ঘন্টা কাজ করার মাধ্যমে আপনি আপনার প্যাসিভ ইনকাম বিজনেস শুরু করতে পারবেন। তবে সময়ের সাথে আপনার সাইট এর ভিজিটর যত বেশি হবে, আপনার ইনকামের পরিমান তত বেশি হবে।

আপনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্লগিং করতে পারেন। যেমন,

  • খাবার রেসিপি

  • ক্যারিয়ার গাইডলাইন

  • ভ্রমণ স্থান

  • রেস্টুরেন্ট রিভিউ

  • খেলাধুলা বিষয়ক

মূলত উপরের উল্লখিত বিষয় সমূহ শুধুমাত্র উদাহরণ স্বরূপ দেয়া হল। আপনি যেকোনো বিষয় নিয়েই ব্লগিং করতে পারবেন। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সেই বিষয়ে ব্লগিং করা উচিত তবে এই ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে যে, এই টপিকে ব্লগিং করলে আপনি কি পরিমান ইনকাম করতে পারবেন তা দেখে নেয়া।

আপনি জানেন কি - ২০২১ এবং ২০২২ সালে অনাইনে প্যাসিভ ইনকাম এর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং। আপনি চাইলে বাংলা এবং ইংরেজিতে উভয় ভাষায় ব্লগিং করে ইনকাম করতে পারবেন।

এর জন্য সামান্য কিছু ইনভেস্ট করে (ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে) ফ্রিতে ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস ব্যবহার করে একটা ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে লেখালিখির মাধ্যমে ব্লগিং শুরু করতে পারেন।

ব্লগিং এর উপর আপনার আইডিয়া না থাকলে গুগলে সার্চ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বা আমার অনলাইন ইনকাম (এই পেজের) পোস্টগুলো পড়লে অনেক জ্ঞান আহরণ করতে পারেন।

কিছুদিন প্রাক্টিস করলে আপনি খুব সহজেই ব্লগিং শিখে যেতে পারবেন। প্রয়োজনে একজন দক্ষ মেন্টর খুঁজে তার কাছ থেকে শেখার চেস্টা করুন অথবা অনলাইনে এর উপর একটা কোর্স করে নিতে পারেন।

এজন্য আপনাকে নির্দিষ্ট একটি বিষয়ের উপর লেখালেখি করতে হবে। যেমন, আমি এই সাইটে ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অনলাইন ইনকাম নিয়ে লিখি কারণ এই বিষয়ে আমার দীর্ঘ ১২ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। তাই এতসব কিছু না ভেবে শুরু করে দিন, ধীরে ধীরে দেখবেন কিছুদিন পর সব আয়ত্তে চলে আসবে।

প্যাসিভ ইনকাম মাধ্যম হওয়ায় ব্লগিং এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে। তাই ভবিষ্যৎ স্কিল হিসেবে এবং অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে ব্লগিং কে বেছে নিতে পারেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্যাসিভ ইনকাম

অনলাইনে প্যাসিভ ইনকামের কথা হবে অথচ এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা হবে না সেটা কি হয়। কারণ, এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ মাধ্যম প্যাসিভ আয়ের ক্ষেত্রে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

অন্য কোন ইকমার্স সাইট (এ্যামাজন বা দারাজ.কম) বা অন্য কোন কোম্পানির পণ্য নির্দিস্ট কমিশনের বিনিময়ে প্রচার এবং বিক্রি করাই এফিলিয়েট মার্কেটিং।

সহজ ভাষায় বললে, অন্য কারো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল করে কমিশন আর্ন করাই এফিলিয়েট মার্কেটিং। যেমন, এ্যামাজন.কম এর বিশ্ব সেরা এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রাম।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে কাজ করে?

উপরে আমরা এফিলিয়েট মার্কেটিং কি বুঝলাম, এবার আমরা দেখবো কোন সিস্টেমে এফিলিয়েট মার্কেটিং কাজ করে।

আমরা কম বেশি সবাই জানি যে, ম্যাক্সিমাম পণ্যের উৎপাদন খরচের চেয়ে এর মার্কেটিং খরচ অনেক বেশি। তাই কোম্পানি গুলো এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে আপনার আমার মত মার্কেটারদের নিয়োগ করে তার পণ্য বা সার্ভিস সেল করার জন্য নির্দিস্ট কমিশনের বিনিময়ে।

কারণ, এই মেথডে সে তার পণ্য বা সার্ভিস সেলের মুনাফা থেকে নির্দ্দিস্ট একটা অংশ একজন এফিলিয়েট মার্কেটারকে প্রদান করে কমিশন স্বরূপ। এরফলে সে ওভার মার্কেটিং কস্ট বা লস থেকে নিরাপদ থাকে।

অপরদিকে, আমরা সেই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আমাদের ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলে আমাদের ভিজিটর বা ভিউয়ার্'স দের কাছে রিকমেন্ড করে সেল জেনারেইট করি।

এখানে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, আপনার ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেল যে ক্যাটেগরির সেই ক্যাটেগরির প্রোডাক্ট এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে খুব ভালো সেল হয়।

এছাড়া বর্তমানে ইনফ্লুয়েন্সারদের জয়জয়কার, তাই এখন ক্রেতারা পণ্য কেনার পুর্বে ইনফ্লুয়েন্সারদের মতামতকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

এবিষয়ে আমার বিস্তারিত ব্লগ পোস্ট আছে, সেই পোস্টটা পড়লে আরও ডিটেইলস জানতে পারবেন।

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে প্যাসিভ ইনকাম

আপনি জেনে অবাক হবেন যে, আপনি আপনার হাতে থাকে স্মার্টফোন দিয়ে বর্তমানে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন এমনকি প্যাসিভ মডেল ব্যবহার করেও।

কি বিশ্বাস হচ্ছে না? না, হবারই কথা... তবে আজ আপনি আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিবো, ইনশাআল্লাহ্‌।

ধরুন, আপনার হাতে একটা লেটেস্ট মডেলের স্মার্টফোন আছে, এই ফোনটি দিয়ে আপনি কিভাবে অনলাইন ইনকাম করতে পারবেন...

১। ইউটিউবিং করে - জী, আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে ইউটিউব এর জন্য ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবে আপনার চ্যানেলে আপলোড করে গুগোল এ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে বা স্পন্সরড ভিডিও পোস্ট করে আয় করতে পারবেন।

২। ফেসবুক কন্টেন্ট ক্রিয়েশন - ইউটিউবের মত ফেসবুকের ক্রিয়েটর স্টুডিওতে ভিডিও আপলোড করে আপনি প্যাসিভ ইনকাম করতে পারবেন।

৩। টিকটক - কি হাসি পাচ্ছে আপনার। আরে ভাই দাড়ান! - আপনি কল্পনাও করতে পারবেন টিকটকে এ স্পন্সর্ড ভিডিও পাবলিশ করে বর্তমানে টপ লেভেলের টিকটকাররা কি পরিমান অর্থ আয় করছে।

৪। অন্যন্য - আরও অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার হাতে থাকে স্মার্টফোনকে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিমান অর্থ আয় করতে পারবেন অনলাইনে।

এছাড়াও আজকাল অনেক কমন একটা প্রশ্ন শুনতে হয় আমাকে, যে অনলাইনে ইনকাম করে বিকাশে পেমেন্ট নিতে পারবো কি?

এর উত্তর হচ্ছে হ্যা আবার নাও... কিভাবে?

যেমন ...

হ্যা বললাম কারণ, বর্তমানে আপনি যদি এ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন তাহলে তার পেমেন্ট আপনি পেওনিয়ার থেকে বিকাশে ডিরেক্ট ট্রান্সফার করে টাকায় আপনার বাসার পাশে বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে ক্যাশ-আউট করতে পারবেন।

আর না বলার কারণ, হাতে গোনা দু-একটি ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনি বিকাশে পেমেন্ট গ্রহণ করতে পারবেন না।

তবে, ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। এজন্যই এত প্রতিবন্ধকতা থাকার পরেও আমরা বাংলাদেশিরা ফ্রিল্যান্সিং করে বা এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা প্রতিদিন দেশে আনছি।

তাই যদি আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে চান তাহলে, বর্তমানে সবভাবেই করতে পারবেন। শুধু দরকার সঠিক গাইডলাইন, আর সেই সঠিক গাইডলাইন পাবেন আমার এই ব্লগে একদম ফ্রিতে।

তো, আর দেরি কেন... আজ থেকেই শুরু করে দিন অনলাইন ইনকাম করার জন্য আপনার প্রচেষ্টা।